পদ হারানো নিশ্চিত পাকিস্তানের নকভির! সমর্থন নেই তিন দেশের, এশীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পদে বসার দৌড়ে বাংলাদেশের তামিম

মহসিন নকভি আর বেশি দিন এশীয় ক্রিকেট সংস্থার (এসিসি) প্রধান হিসাবে থাকতে পারবেন না। চেয়ারম্যান পদে তাঁর মেয়াদ শেষ হলেই সরে যেতে হবে তাঁকে। শোনা যাচ্ছে, তিনটি দেশের সমর্থন হারিয়েছেন তিনি। ফলে শীর্ষ পদে থাকা কার্যত অসম্ভব।

ভারতকে দু’টি এশিয়া কাপের ট্রফি দেননি তিনি। সেই মহসিন নকভি আর বেশি দিন এশীয় ক্রিকেট সংস্থার (এসিসি) প্রধান হিসাবে থাকতে পারবেন না। চেয়ারম্যান পদে তাঁর মেয়াদ শেষ হলেই সরে যেতে হবে তাঁকে। শোনা যাচ্ছে, তিনটি দেশের সমর্থন হারিয়েছেন তিনি। ফলে শীর্ষ পদে থাকা কার্যত অসম্ভব

এসিসি চেয়ারম্যান পদে প্রতি দু’বছর অন্তত চেয়ারম্যান বদল হয়। পাঁচটি পূর্ণ সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সেই দায়িত্ব পান। মেয়াদবৃদ্ধির সুযোগও রয়েছে। তার জন্য বাকি সদস্যদেশগুলিকে রাজি হতে হয়। যেমন ভারতের জয় শাহ তিনটি মেয়াদে দায়িত্বে ছিলেন।

নকভির এটিই প্রথম মেয়াদ। তবে দু’বছরের বেশি দায়িত্বে থাকার সম্ভাবনা কম। ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান হল এসিসি-র পাঁচটি পূর্ণ সদস্যদেশ। এদের মধ্যে তিনটি দেশের সমর্থন নকভি পাবেন না। ফলে চেয়ারম্যান পদে থাকাও সম্ভভ নয়। ‘ক্রিকবাজ়’-এর খবর অনুযায়ী, পাকিস্তান ছাড়া আর কোনও দেশই নাকি নকভিকে সমর্থন করছে না।

এই পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তামিম ইকবাল এসিসি-র চেয়ারম্যান হতে পারেন। তিনি নিজেও দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। এসিসি-র এক বোর্ড সদস্য ‘ক্রিকবাজ়’-কে বলেছেন, “জল্পনা চলতেই পারে। কিন্তু নকভির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৭-এর এপ্রিলে। পরের চেয়ারম্যান হবেন বাংলাদেশের। তামিম নিজেও এই দায়িত্ব নিতে চান। মেয়াদবৃদ্ধি হতে পারে বোর্ডের বাকি সদস্যেরা রাজি থাকলে। এই মুহূর্তে নকভিকে নিয়ে কেউ একমত নয়।”

তবে নকভি যাওয়ার আগেই আরও এক বার ভারতকে ট্রফি দেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। ডিসেম্বরে বাংলাদেশে এশীয় অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ রয়েছে। ভারত ট্রফি জেতার প্রধান দাবিদার। গত দু’বারই জিতেছে তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *